Md. Mohiuddin
কোভিড নাইন্টিনের প্রাদুর্ভাবে চারিদিকে নর সুন্দরের দেখা পাওয়া দুষ্কর।আবার বৃহৎ
বৃহৎ চুলের জন্য বাড়িতে থাকা ও হিমালয়ে আরোহণের মতো শক্ত কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।বাড়িতে
প্রতিদিন অন্তত পাঁচবার দাঁত ঝাড়া শুনতে হয় ঐ চুলের জন্য।মাঝে মাঝে মনে হয় চারপাশের
সবাই প্রেশার কুকারে মাংসের মতো আমাকে সিদ্ধ প্রেশার কুকারের চাপে পিষ্ট হয়ে আমার
মাথার স্ক্লোরোপ্রোটিন দ্বারা নির্মিত সুশোভিত চুলগুলি জলাঞ্জলি দিতে হলো।টাকু
হওয়ার পর চুল বিহীন পণ্ডিত রূপে নিজেকে আবিষ্কার করলাম।বাড়িতে একটা বেলগাছ আছে কথায়
বলে নেড়া বেলাতলায় একবারই যায় অথচ আমি বারং বার আসা যাওয়া করছি।তবে টাকু হলে যে মহা
বিপত্তিতে পড়তে হয় তা হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারছি।যেমন: বাড়ির পাশের চাচতো বোনেরা
আালাদিনের জ্বীন বলে ডাকে, গোসলের সময় টাকে পানি স্থায়ী হয়না।যেহেতু গ্রীষ্মকাল,
বৈশাখের কাঠ ফাটা রৌদ্রে টাকদেশ তথা চুলবিহীন মাথাসহ দেহের সবচেয়ে ঠাণ্ডা প্রিয়
অঙ্গটি উষ্ণ হয়ে উঠছে।এতে সূর্যমামা বড়ই পরিতৃপ্ত হচ্ছে বলে বোধ হয়।এত কিছুর পরেও
দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়াকালীন সময়ে টাকু হতে পেরে নিজেকে স্বার্থক মনে করছি কারণ এই
সময়ে সবাই চাইলেই টাকু হতে পারেনা।কারণ অর্ধবিবাহিতদের (অন্য কিছু ভাববেন না) টাকু
হওয়া আর প্রিয়তমা স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার সমান।








