🌱 একটি সামাজিক ও শিক্ষামূলক অরাজনৈতিক সংগঠন—স্বাগতম আমাদের পরিবারে 🌱 💐 সভাপতির শুভেচ্ছা বার্তা 💐

***গল্পের খোঁজে***

 

Md. Uzzal Khan

রাইয়ের খুব ইচ্ছে গল্প লেখারওদের স্কুলের ম্যাগাজিনে প্রতি বছর ছাত্র-ছাত্রীদের লেখা নানান গল্প, কবিতা থাকে, সেই দেখেই রাইয়ের শখ হয়েছেওর গল্প ও লোকে পড়বে,  সবাই ওকে চিনবে কিন্তু সমস্যা একটাই, গল্পের প্লটই যে মাথায় আসেনা! মাকে বলায় মা বললেন, ‘গল্প না লিখে বরঞ্চ কবিতা লেখ কিংবা ছবি আঁকনা

কিন্তু রাইয়ের ঠিক মনে ধরেনা কথাটাও গল্পই লিখবেকবিতার ছন্দ মেলানো কী কঠিন, উফ্! আর ছবিতো বাচ্চারাও আঁকতে পারেএইতো সেদিন, ওর তিন বছরের মামাতো ভাই, ঋজু, একটা কী সুন্দর ছবি আঁকল, ওরা পুজোয় সিমলা বেড়াতে গিয়েছিল, তারকী করবে ভেবে না পেয়ে রাই গেল ওর কাকার কাছেতিনি ইতি মধ্যেই বেশ কয়েকটি গল্প লিখে ফেলেছেনরাই সেগুলো পড়েছে আর বেশ ভালও

কাকাবললেন, ‘প্লটের কী দরকার ? তোর আশেপাশে কী কী হচ্ছে দেখ, সেগুলো নিয়েই লেখ

রাই বলে উঠল,  কিন্তু সেগুলো কেউ পড়বে কেন? ওতে কিছুই তো ইন্টারেস্টিং ঘটনা নেই

সেটাই তো মজারোজকার জিনিস কে নতুন ভাবে তুলে ধরাটাই তো লেখকের কৃতিত্ব

ধুস, কী যে বলেন কাকা! নিজে এত ভাল ভাল গল্প লেখেন, অথচ রাইকে কোনও প্লটই দিলেন না!

রাইয়ের একটু খারাপই লাগেপ্রতিদিন সূর্য ওঠে, রাস্তায় গাড়ি চলে, রাই আর রাইয়ের মা স্কুলে যায়  (আসলে রাইয়ের মা একজন শিক্ষিকা),  বাবা-কাকা অফিসে যান, পাখি ডাকে... এতে নতুনত্ব কিছু খুঁজে পেলনা রাইআচ্ছা, ওটা কীসের ডাক? রাইকে ওর বাবা জন্মদিনে একটি নতুন ক্যামেরা দিয়েছেন, ওটাই এখন ওর সর্বক্ষণের সঙ্গীযখন-তখন, যেখানে সেখানে, যা ভাললাগে, তারই ছবি তুলে রাখেওদের গড়িয়ার বাড়ির পাশে যে বিশাল বাগানটা আছে, তাতে সারাদিন কত যে পাখি আসে, যার অর্ধেক কলকাতাতে আছে বলেই কেউ জানতনা! ও সব কটা পাখির ছবি তুলে রেখেছেতবে এই ডাকটা নতুনআগে কখনও শোনেনি রাইক্যামেরাটা নিয়ে দৌড়ে গেল জানলার কাছেদেখল, সামনের নিম গাছটায় একটা শালিকের মতো পাখি বসে, গায়ের রং হলুদ, ডানায় ও লেজে কালো ছিটে, ঠোঁট গোলাপিআর ডাকটা কী মিষ্টি, বাঁশির মতোরাই চটপট ক্যামেরার জুম অ্যাডজাস্ট করে একটা ছবি তুলে ফেললনেটে সার্চ করে দেখল, ওটা হল গোল্ডেন ওরিয়ল (golden oriole)ওর মেজদাদু বললেন, বাংলায় বলেবেনেবউসেদিন বিকেলে বসে নিজের তোলা সব পাখির ছবি দেখতে দেখতেই আইডিয়াটা মাথায় এসেগেল রাইয়েরএবছরে স্কুলের বার্ষিক ম্যাগাজিনে রাইয়ের তোলা সবকটা পাখির ছবি একটা গোটা পাতা জুড়ে বেরিয়েছেসবাই ওকে বলেছে ওর ছবিতোলার হাত খুব ভাল, ছবি তোলাকে একটা কেরিয়ার অপশন হিসেবে ভাবতেই পারেকিংবা অর্নিথোলজিওকী হবে, সেটা পরের কথাআপাতত ম্যাগাজিনে নিজের নাম বেরোনোতেই রাই খুশিভাগ্যিস বাবা ক্যামেরাটা দিয়েছিলেন!

Share:

Executive Team

Md Mohiuddin

Md Mohiuddin

President

Contact

Mehedi Hasan

Mehedi Hasan

Vice President

Contact

Al Mamun

Al Mamun

General Secretary

Contact

Al Mamun

Asif Mahmud

Organaizational Secretary

Contact

CLOCK

শুরুর দিকে

কাশ বন